• ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Partha Chatterjee

কলকাতা

১৫ পাতার বয়ান রেকর্ড পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের! বাজেয়াপ্ত করা হল প্রসন্ন রায়ের গাড়ি

ভোটের মুখে আবারও তৎপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শনিবার সকালে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়-এর নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় ইডি। বিপুল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বাড়ি ঘিরে ফেলে তদন্তকারীরা। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার সূত্রেই এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে।ইডি সূত্রে খবর, ওই দিন প্রায় পনেরো পাতার বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। অভিযোগ, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চাকরি বিক্রির টাকা থেকে লাভবান হয়েছিলেন তিনি। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এসএসসি উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান এসপি সিনহা এবং অন্যান্য কর্তাদের বয়ানের ভিত্তিতেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁকে।জেরায় উঠে এসেছে প্রসন্ন রায়ের নামও। তদন্তে জানা গিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং এসপি সিনহার মধ্যে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করতেন তিনি। আরও অভিযোগ, পার্থর টাকা বিভিন্নভাবে প্রসন্নর মাধ্যমে বিনিয়োগ করা হয়েছিল। এই বিষয়ে আরও জানতে সংশোধনাগারে গিয়ে প্রসন্নকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ইডি।জানা গিয়েছে, জামিন পাওয়ার পর একাধিকবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি বলেই অভিযোগ। এ দিন বেলা প্রায় পৌনে এগারোটার সময় তদন্তকারী আধিকারিকেরা তাঁর বাড়িতে পৌঁছন এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ চালান।এই ঘটনায় ফের রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ভোটের আগে ইডির এই পদক্ষেপ নিয়ে শুরু হয়েছে জোর তরজা।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
কলকাতা

দোলের পরেই ফের ইডির জালে পার্থ-অর্পিতা! ১৬-১৮ মার্চেই তলব, বাড়ছে এসএসসি দুর্নীতি মামলার চাপ

এসএসসি দুর্নীতি মামলায় আবারও জোর তৎপরতা শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করার প্রস্তুতি নিচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে খবর, দোল উৎসবের পরেই ১৬ থেকে ১৮ মার্চের মধ্যে দুজনকে ডাকা হতে পারে।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগেই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই মামলায় অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ও গ্রেপ্তার হন। পরে দুজনেই জামিন পান। তবে তদন্ত থেমে নেই। প্রাথমিক নিয়োগ কাণ্ডের পাশাপাশি এসএসসি দুর্নীতির তদন্তও চালাচ্ছে ইডি। ইতিমধ্যেই ওই মামলায় চার্জশিট জমা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, এসএসসি সংক্রান্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখতে গিয়ে একাধিক ক্ষেত্রে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই নতুন করে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুজনকে আলাদা করে ডেকে মুখোমুখি প্রশ্ন করা হতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধারের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। কয়েক বছর জেলবন্দি থাকার পর পার্থ চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পান। তার আগেই জামিন পেয়েছিলেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।দোলের ছুটির আবহ কাটতেই তদন্তে ফের গতি আসছে। ১৬ থেকে ১৮ মার্চের মধ্যে ইডির দফতরে হাজিরা দিতে হতে পারে পার্থ ও অর্পিতাকে। এসএসসি দুর্নীতি মামলায় এই জিজ্ঞাসাবাদ নতুন করে কোন তথ্য সামনে আনে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।

মার্চ ০২, ২০২৬
কলকাতা

'কেন দল পাশে দাঁড়াল না?’— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠিতে প্রশ্ন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

তিন বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে গৃহে ফিরলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিকেলে দক্ষিণ কলকাতার নাকতলার বাড়িতে ফিরে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য। জেলবন্দি জীবনের শেষপ্রান্তে এসে নাকি পার্থ চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন একটি চিঠি সরাসরি দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে! আর সেই চিঠিই এখন সামনে এসেছে।সূত্রের খবর, ওই চিঠিতে পার্থ লিখেছেন, সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পারলাম, দল আমাকে সাসপেন্ড করেছে। কিন্তু দলীয় সংবিধানের কোন ধারায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। চিঠিটি ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরে। শুধু তাই নয়, একই সঙ্গে চিঠির কপি পাঠানো হয়েছে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর কাছেও।২০২২ সালের ২৩ জুলাই, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি-র হাতে গ্রেফতার হন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেদিন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি কারও সঙ্গে কথা বলতে চান কি না। উত্তরে পার্থ বলেছিলেন, আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চাই। কিন্তু ফোনে সংযোগ পাননি। পরে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, চেষ্টা করেছিলাম, পাইনি। পরবর্তীতে ফিরহাদ হাকিম জানান, তল্লাশির সময় ফোন নিয়ে নেওয়া হয়, তাই যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।গ্রেফতারের পাঁচ দিন পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষণা করেন দলের সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সমস্ত পদ থেকে সরানো হল। সেই সিদ্ধান্তের পর দল থেকে সাসপেনশন, মন্ত্রিত্ব হারানো একে একে সবই ঘটে যায় পার্থর জীবনে।আর আজ, দীর্ঘ তিন বছর পর, সেই পার্থ আবার মুক্ত আকাশের নিচে। আর ঠিক সেই সময়ই প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর জেলবন্দি অবস্থায় লেখা চিঠি। সূত্রের দাবি, ওই চিঠিতে পার্থ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে উল্লেখ করেছেন নব্য সেনাপতি হিসেবে। লিখেছেন, অনেক সময়ে দল অভিযুক্ত নেতাদের পাশে দাঁড়ায়। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে দল কেন দাঁড়াল না, তার উত্তর আজও পাইনি। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই চিঠি নতুন করে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ অস্বস্তি বাড়াতে পারে। বিশেষ করে এমন সময়, যখন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এখনও দলের বাইরে, কিন্তু তাঁর প্রত্যাবর্তনে দলের ভেতরে চলছে নানা গুঞ্জন।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
রাজ্য

সরকারি জমি দখল করে হয়েছিল প্রাক্তন মন্ত্রীর অফিস, ভেঙে গুড়িয়ে দিল পুলিশ

বিধানসভায় খাতায়কলমে বিধায়ক রয়ে গিয়েছেন জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিবও ছিলেন। যদিও তাঁর পদ চলে যাওয়ার পর আর কেউ মহাসচিব পদে বসেননি। এবার সেই প্রাক্তন মন্ত্রী, বিধায়কের শেষ চিহ্নও মুছে গেল মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে। বেহালায় ফুটপাত দখল করে থাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অফিস বৃহস্পতিবার ভাঙা পড়ল। বেহালার ম্যান্টনে সেই অফিস ভাঙা হয়েছে কার্যত ফুটপাত দখলমুক্ত করতেই।কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি জমি দখলমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন নবান্ন থেকে। তার পর থেকেই তৎপর পুলিশ-প্রশাসন। অনেকদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, রাস্তা দখল করে বেহালা পশ্চিমের বিধায়কের কার্যালয় তথা পার্টি অফিস তৈরি করা হয়েছে। মঙ্গলবার থেকেই ফুটপাত-রাস্তা দখলমুক্ত করার অভিযানে নেমেছে পুলিশ-প্রশাসন। তার মধ্যেই ভাঙা পড়ল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অফিস।ওই পার্টি অফিসে নিয়মিত বসতেন বেহালা পশ্চিমের বিধায়ক। সেখানে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগের কথা শুনতেন পার্থবাবু। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই সেই অফিস নিয়ে বিস্তর অভিযোগ সামনে আসতে থাকে। ২০২২ সালের ২৩ জুলাই পার্থ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে তৃণমূলের অফিসটি। এবার স্মৃতি থেকেও মুছে গেল সেটি।এই ইস্যুতে শাসক-বিরোধী তরজা শুরু হয়েছে। বেহালার সিপিএম নেতা কৌস্তভ চট্টোপাধ্যায় বলনে, সাধারণ মানুষের অভিযোগে চাপে পড়ে প্রশাসনকে ভাঙতে বাধ্য করেছে। পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র শান্তনু সেনের দাবি, এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন। দল, রং না দেখে ব্যবস্থা নেয়। তৃণমূল কোনও অন্যায়কে সমর্থন করে না। করবেও না{

জুন ২৮, ২০২৪
রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা ইডির

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতার ৬টি স্থানে ইডির তল্লাশি অভিযান। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের বাড়িতে, একজন পার্শ্ব শিক্ষকের বাড়িতে এবং ব্যবসায়ী মহেন্দ্র আগারওয়ালের বাড়িতে এবং অফিস সহ মোট ৬ জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি-র ৬টি দল। শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মিডল ম্যান প্রসন্ন রায়কে জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে এদের নাম। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ মহেন্দ্র আগরওয়ালের বাড়ি এবং অফিসে হানা দিল ইডি। মহেন্দ্র আগরওয়ালের মাধ্যমে নিয়োগ দুর্নীতির টাকা সাদা করা হতো বলে ইডি সূত্রে খবর। বেশকিছু গুরুত্বপূর্ন নথি ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এই মহেন্দ্র আগারওয়ালের সঙ্গে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগ রয়েছে বলেও ইডি সূত্রে খবর।

মার্চ ০৮, ২০২৪
রাজ্য

নথি নিয়ে ইডি দপ্তরে হাজির প্রাক্তন মন্ত্রী ঘনিষ্ট কলকাতা কাউন্সিলর

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে নথি নিয়ে হাজির হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট কলকাতা পৌরসভার ১০১ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাসগুপ্ত। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁর ভূমিকা কি ছিল, সম্পত্তির হিসেব ও ব্যাংকের ডিটেলস নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে ইডি সূত্রে খবর।গত বছরের নভেম্বর মাসে নিয়োগকাণ্ডে নাম জড়ায় বাপ্পাদিত্যের। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চাকরি সংক্রান্ত নথি পাওয়া গিয়েছিল বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের দাবি।কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের স পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নিয়মিত ওঠাবসা ছিল। সেই কারণে নিয়োগ মামলায় পার্থের ভূমিকা সম্পর্কে বাপ্পাদিত্য অনেকটাই জানেন বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। প্রাথমিকের নিয়োগে পার্থের কী ভূমিকা ছিল, তা-ও খতিয়ে দেখতে চাইছে ইডি। সেই কারণেই ইডি মনে করছে ব্যাপাদিত্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক গোপন তথ্য বেরিয়ে আসবে। তাই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য এদিন তলব করা হয়।ইডি দফতরে প্রবেশ করার সময় ব্যাপাদিত্য বলেন, আজকে ইনকাম স্টেটমেন্ট, আই টি রিটার্ন, এসেট ৱ্যাবিলিটি ডিটেলস এই কাগজ গুলো চেয়েছে সেগুলো নিয়ে এসেছি। দেখা যাক কথা বলি। আইটি রিটার্ন রয়েছে ১২ বছরের। যা যা কাগজ চেয়েছে সেই গুলো নিয়ে এসেছি। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট সেই কারণে ডাকা হচ্ছে হয়তো। প্রাথমিকের নিয়োগের সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ নেই। সিবিআই যখন বাড়িতে রেড করে যে এডমিট কার্ড পেয়েছে একটাও প্রাথমিকের নয়। সেগুলো আজ জমা করে দেব।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৪
রাজ্য

পার্থর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের চিকিৎসার জন্য আদালতের নির্দেশ জেল কতৃপক্ষকে

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি অর্পিতা মুখোপাধ্যায় অসুস্থ। তাঁর চিকিৎসার ব্যাপারে এবার জেল কর্তৃপক্ষকে নিজেদের দায়িত্ব মনে করাল আদালত। মঙ্গলবার বিচার ভবনে প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত ইডির মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতেই জেল কর্তৃপক্ষকে আদালত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের চিকিৎসায় যাতে কোনও ত্রুটি না হয় সেব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছে।উল্লেখ্য, বিচার ভবনে আজ প্রাথমিকে নিয়োগে ইডির মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের হাজিরার কথা ছিল। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে এদিন সশরীরে আদালতে হাজির হননি অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। ভার্চুয়ালি আদালতে হাজিরা দিছেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী। জেলে তাঁর অসুস্থতার চিকিৎসা চললেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।এদিন অর্পিতার সঙ্গে ভার্চুয়ালি কথা হয়েছে বিচারকের। তবে তাঁর আইনজীবী এদিন সওয়াল করতে গিয়ে জানান, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের চিকিৎসার জন্য উন্নত কোনও বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া দরকার। তবে আদালত অনুমতি দিলে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ কম্যান্ড হাসপাতালেও তাঁর মক্কেলের চিকিৎসা হতে পারে।এরপরেই জেল কর্তৃপক্ষকে তাঁদের দায়িত্ব মনে করিয়ে দিয়েছেন বিচারক। তিনি এদিন জেল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে জানান, তাঁদের কাজে যেন কোনও সন্দেহ তৈরি না হয়। অর্পিতা মুখোপাধ্যায় যেন এটা বুঝতে পারেন যে তাঁর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করা হচ্ছে। এরপরেই বিচারক জেল কর্তৃপক্ষের উদ্দ্যেশ্যে আরও বলেন, চিকিৎসার জন্য তো আপনারা এসএসকেএমে-ও পাঠান। সেটাই তো রাজ্যের বেস্ট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। এটা দয়া করে দেখুন। ওঁর চিকিৎতা যেন দ্রুত হয়।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৩
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কি কথা হল শোভন চট্টোপাধ্যায়ের? বৈশাখী তখন কি করছিলেন?

একদা একসঙ্গেই দল করতেন।একজনের ইডির তালিকায় নামও ছিল। গ্রেফতারও হয়েছিলেন। আরেকজন শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি। এবার তাঁদের দেখা হল আলিপুর কোর্ট লকআপে। দুজনই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হল কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের।শনিবার বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলিপুর আদালতে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। সেখানে জানতে পারেন ওই কোর্ট লকআপেই রয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গাড়িতে উঠেছিলেন কিন্তু ফের তিনি নেমে পড়েন। একসময়ের সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে কোর্ট লকআপে যান শোভন। দূর থেকে তাঁদের মধ্যে কথাও হয়।দুজনে কী কথা বললেন?শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, দূর থেকে দেখলাম। দেখা করার সেই পরিবেশ, পরিস্থিতি নেই।পার্থ চট্টোপাধ্যায় কী পরিস্থিতির শিকার? শোভন বলেন, পার্থদা পরিস্থিতির শিকার তো বটেই! আমাকেও তো গ্রেফতার করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তো আর প্রশাসন থেকে আলাদা কিছু নয়! এত দিন এক সঙ্গে ছিলাম। না দেখা করে চলে গেলে মনে হত, এখান থেকে চলে গেলাম! দূর থেকে দেখা হয়েছে। স্বাস্থ্য নিয়ে খোঁজ নিয়েছি। শোভন যখন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান তখন বৈশাখী গাড়িতেই বসেছিলেন। এই প্রসঙ্গে বৈশাখী বলেছেন, দীর্ঘ দিনের সঙ্গী তো।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
রাজ্য

সওয়াল-জবাবে কেঁদে ভাসালেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, পিংলার স্কুলে হানা ইডির

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলে বসেই ভার্চুয়াল সওয়াল-জবাবে অংশ নিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। সেখানে অর্পিতা ফের বলেন, তিনি জানেন না তাঁর দুই ফ্ল্যাটে কারা টাকা রেখে গিয়েছে তা তিনি জানেন না। তবে বিচারপতি জানিয়ে দেন যেহেতু তাঁর ফ্ল্যাট থেকে টাকা উদ্ধার হয়েছে তার দায় অর্পিতাকেই নিতে হবে। এদিনও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী মক্কেলের জামিনের আবেদন করেন। যদিও তা খারিজ হয়ে যায়।এদিন ইডি পিংলায় পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের স্ত্রী বাবলি চট্টোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত স্কুলে হানা দেয়। এই স্কুলের ডিরেক্টর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাই কল্যানময় ভট্টাচার্য। স্কুলটি একেবারের ঝা চকচকে। ১৫ বিঘে জমির ওপর স্কুলটি নির্মাণ করা হয়। বাবলি চট্টোপাধ্যায় ফাউন্ডেশনের নামেই এই স্কুলটি নির্মিত হয়েছে। এসএসসি দুর্নীতির অর্থ এই স্কুল ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে ইডি।সওয়াল জবাবে প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এদিন কেঁদে ভাসিয়েছেন। তা বলতে দেওয়ার সুযোগ দেন বিচারপতি। পার্থবাবু বারে বারে বোঝাতে চেয়েছেন তিনি কোনও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নন। তাঁর ফ্ল্যাটের টাকা যে অর্পিতার নয়, তা বলার সময় কান্নাকাটি করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

'১১০ কেজি ওজন নিয়ে দিনে দু'বার ভাত খেলে শরীর খারাপ হবে নাতো কি হবে?' পার্থ প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি

শনিবার বিজেপির রাজ্য কিষাণ মোর্চার অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর শহরের টাউনহল থেকে নীলপুর পর্যন্ত পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন সুকান্ত মজুমদার। পদযাত্রা শেষে নীলপুর মোড়ে পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, মোদীজি ক্ষমতায় আসার পর গরু পাচার বন্ধ করে দিয়েছেন। কিন্তু কেষ্টর গরু পাচারের জন্য এই রাজ্যে সীমানায় বেশ কিছু জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া দিতে দেয়নি।পার্থ চট্টোপাধ্যায় প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ১১০ কেজি ওজন নিয়ে দিনে দুবার ভাত খেলে শরীর খারাপ হবে নাতো কি হবে? পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এসএসকেএম এ ভর্তি প্রসঙ্গে এই মন্তব্য। তিনি জানান, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এখনও অনেক কিছু বলা বাকি আছে। উনি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন আর বাকিদের নাম বলুন।তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের পর একবছর আমাদের কর্মীদের উপর অনেক অত্যাচার হয়েছে। কর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রকাশ্য সভামঞ্চ থেকে তিনি বলেন, একটা মার দিতে এলে দশটা ফেরত দিন। হামলা করলে উপযুক্ত ওষুধ দিয়ে পাঠান, দল আপনার পাশে আছে। আটজন আইপিএস কে দিল্লিতে পাঠানো প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, দিল্লিতে কতজন যায় আমরা দেখার জন্য অপেক্ষা করছি। সেখান থেকে কয়েকজন ফিরে না এলেও অবাক হবেন না।সুকান্ত মজুমদার বলেন আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যদি চুরির প্রমাণ থাকে তাকেও জেলে যেতে হবে। নেতাদের আর্থিক বৃদ্ধি মামলা প্রসঙ্গে সুকান্তর হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী বাপের বেটি হলে আমার সম্পত্তি নিয়ে তদন্ত করান। পুলিশের উচিত তৃণমূল নেতাদের ঘার ধরে জেলে ঢোকানো। পুলিশ পারছে না তাই ইডি, সিবিআই এই কাজ করছে। ইডি, সিবিআই কম পরে যাচ্ছে তাই এবার বিজেপিকে পথে নামতে হবে। প্রকাশ্য সভামঞ্চ থকে সুকান্ত মজুমদার বলেন, যারা তৃণমূল নেতাদের টাকা দিয়ে চাকরি পাননি, প্রতারিত হয়েছেন তাদের বিজেপি পার্টি অফিসে যোগাযোগ করুন। আমরা আপনাদের হয়ে লড়বো।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চিঠি অনুপমের, জুতো ছুঁড়ে ভাইরাল শুভ্রাদেবীকে ইতিহাসে জায়গা দেওয়ার অনুরোধ

বেআইনি ভাবে স্কুল শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে ইডি পার্থ চট্টোপাধায়কে গ্রেপ্তার করেন। এবং তাঁর বিশেষ বন্ধু মডেল ও অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কেও গ্রেপ্তার করা হয়। উল্লেখ্য, ইডির হানাতে প্রায় ৫০ কোটি নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার ও বহু স্থাবর সম্পত্তির দলিল উদ্ধারে রাজ্য জুড়ে চাঞ্চল্য শুরু হয়ে যায়। এই ঘটনার পরপরই বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএম পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মন্ত্রিত্বের অপসারণের দাবিতে সরব হয়। প্রথম দিকে তৃণমূল ব্যাপারটা সেভাবে আমল না দিলেও, অর্পিতার বেলঘরিয়া আবাসন থেকে বিপুল পরিমাণে টাকা উদ্ধারের পর নড়েচড়ে বসে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সরকারি সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দেন এবং ওইদিন বিকেলে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল থেকেও বহিস্কার করেন।এই ঘটনার পর থেকেই নানা মহল থেকে রাজ্য সরকারি স্কুলের পাঠ্য পুস্তক থেকে সিঙ্গুর আন্দোলন চ্যাপ্টারে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম বাদ দেওয়ার দাবি উঠতে শুরু করেছিল। বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ ও কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরার গলায় আবার উল্টো সুর। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি লেখেন, কয়েকদিন আগে আমি অনুরোধ করেছিলাম পার্থ চট্টোপাধায়ের নাম ইতিহাস বইয়ের পাতা থেকে মুছে দিতে আর আজ আমিই আপনাকে অনুরোধ করছি ইতিহাসের পাতায় ওনাকে স্থান দেওয়ার জন্য - কারণ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে এখনো পর্যন্ত উনিই প্রথম এবং একমাত্র রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সর্বোপরি প্রাক্তন মন্ত্রী - যিনি প্রকাশ্য দিবালোকে জনগণের কাছ থেকে জনসমক্ষে জুতো খেয়েছেন; এ এক অনন্য নজির !!!প্রতিমাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীশ্রীমতি @MamataOfficial pic.twitter.com/8AhyBIBCk7 Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) August 3, 2022তিনি আরও লেখেন, সঙ্গে শুভ্রা (ঘোড়ুই) দেবীকেও ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে দেওয়ার অনুরোধ জানাই। কারণ তিনি যে অতুলনীয় ভঙ্গিমায় আপনার সরকারের প্রতি জনগণের রোষ প্রতিফলিত করেছেন - তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে !!! আশা করি আমার এই অনুরোধ রাখিয়া পশ্চিমবঙ্গের আপামর জনগণকে বাধিত করিবেন !!! ইতি, অনুপম !!!প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার শারীরিক পরীক্ষা করার জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে জুতো ছুড়ে মারেন এক মহিলা। প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জুতো ছুঁড়ে গোটা বাংলায় ভাইরাল শুভ্রা ঘড়ুই নামক ওই মহিলা। জানা যায় তিনি আমতলায় থাকেন। মঙ্গলবার ইএসআই হাসপাতালে পার্থকে দেখেই তিনি খেপে যান। তার পর তাঁকে লক্ষ্য করে নিজের জুতো ছুড়ে মারেন। এর পর অপর পাটিটি খুলে ফেলে দিয়ে গটগট করে খালি পায়ে বাড়ি ফিরে আসেন।অনুপম হাজরার ওই পোস্টে এক নেটিজেন সাম্প্রতিক কালে দলবদল (ফুল বদল) নিয়ে কটাক্ষ করে লেখেন, একজন নিয়মিত ফলোয়ার হয়ে আমি আপনার মতামতকে প্রশংসা করি, কিন্তু আমি সন্দেহ, কোনও এক সুন্দর সকালে বাবুল সুপ্রিয়র মতো আপনিও আপনার মন পরিবর্তন করে চোরের মণ্ডপে ফিরে যাবেন, আপনি কি করবেন? প্রত্যুত্তরে অনুপম লেখেন প্রাথমিকভাবে একজন শিক্ষাবিদ হওয়ার কারণে, রাজনীতিতে থাকা সত্ত্বেও কিছু নৈতিকতা বজায় রাখার জন্য সর্বদা আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করি, তাই নিশ্চিন্ত থাকুন!!!মঙ্গলবার শুভ্রা ঘড়ুই বলেন, তিনি আত্মীয়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন জোকা ইএসআই হাসপাতালে। সেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঠান্ডা গাড়িতে আসতে দেখে তাঁর নাকি মাথায় রাগ চেপে যায়। তিনি বলেন, ওঁরা লোকের টাকা মেরে কোটি কোটি অর্থ করেছে। কলকাতার একাধিক জায়গায় ফ্ল্যাট বাড়ি কিনেছে। বড় গাড়ি করে হাসপাতালে আসছে। এতে আমাদের খুব সমস্যা হচ্ছে। ওঁকে গলায় দড়ি লাগিয়ে টানতে টানতে নিয়ে আসা উচিত ছিল। সাধারণ মানুষ ঠিক মতো চিকিৎসা করাতে পারছি না ওদের জন্য। সেই জন্যই জুতো ছুড়েছি। জুতোটা ওঁর নাকে লাগলে খুশি হতাম। এটা আমাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। হাজার মানুষ চাকরি পায়নি ওঁদের জন্য। তাঁদের সবার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

আগস্ট ০৩, ২০২২
রাজ্য

৫০ কোটি টাকা কার? পার্থ বলছেন, 'টাকা আমার নয়'

পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দুটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা কার? এ যেন রীতিমতো গবেষণার বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সূত্রের খবর, অর্পিতা ইডিকে বলছেন টাকা তাঁর নয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানেন। এদিকে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জোরের সঙ্গে বলছেন, টাকা আমার নয়। একইকথা তিন বার বলেছেন তৃণমূলের সাসপেন্ডেন্ট মহাসচিব। শুধু তাই নয়, পার্থর দাবি, তিনি টাকা লেনদেন করেন না। এখনও ষড়যন্ত্রের দাবিই করছেন পার্থ। তবে সময়ের জন্য অপেক্ষা করে আছেন।উল্লেখ্য, ২২ জুলাই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় সহ একাধিক জায়গায় ইডি হানা দেয়। তৎকালীন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার র নানা হলেও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২২ কোটি টাকা উদ্ধার হয়। কয়েকদিন পর বেলঘরিয়া রথতলায় কামারহাটি পুরসভার পাশে একটি অভিজাত আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাটে ফের হানা দেয় ইডি। তখন উদ্ধার হয় প্রায় ২৮ কোটি টাকা। এছাড়া ৬ কেজি সোনা, রাশি রাশি রুপোর কয়েন উদ্ধার করে ইডি। কিন্তু এই ৫০কোটি নগদ টাকা কোথা থেকে এল? তার তদন্তে শুরু করে ইডি। এই টাকা নিজের নয় বলেই দাবি অর্পিতার। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলছেন, ওই টাকা তাঁরও নয়। তাহলে ওই ফ্ল্যাটের চাবি কী আর কারও কাছে ছিল? সূত্রের খবর, সেই প্রশ্নও উড়িয়ে দিচ্ছে না ইডি। নাকি তদন্তকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে পার্থ-অর্পিতা? সমস্ত সম্ভাবনাই ক্ষতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

জুলাই ৩১, ২০২২
রাজ্য

'আমি ষড়যন্ত্রের শিকার' পার্থের মন্তব্যে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

রাজ্যের তিন তিনটে মন্ত্রিত্ব খুইয়েছেন, দলের মহাসচিব পদ থেকে অপসারিত হয়েছেন এমনকি তৃণমূল কংগ্রেস পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল থেকেও সাসপেন্ড করেছে। গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্ব-ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘোষণা করেন। তিনি জানিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে এদিন জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়মমাফিক শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে যাওয়া হয় তখন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সদ্য দল ও মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারিত পার্থ জানিয়ে দেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার।পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই দলের সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র কুনাল ঘোষ বলে আসছিলেন, সুযোগ থাকা স্বত্তেও মিডিয়ার সামনে কিছু বলছেন না, তিনি বলতেই পারতেন আমি নির্দোষ। আমিও যখন সারদা কান্ডে গ্রেপ্তার হয়েছি তখন নানা প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্তেও আমি বারে বারেই একথা বলেছিলাম।মন্ত্রিত্ব ও দলের সমস্ত পদ হারানোর পর এদিন ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়েছেন সেই প্রতিক্রিয়া দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এই বক্তব্যে শোরগোল পরে গেছে রাজ্য রাজনৈতিক মহলে। তাহলে ষড়যন্ত্রকারিরা কে? এই প্রশ্নে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। এদিন জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়মমাফিক শারীরিক চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসসি দুর্নীতি কান্ডের আরেক অভিযুক্ত পার্থর বিশেষ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে। পার্থ ঘনিষ্ট অর্পিতা এদিন হাসপাতালে এসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। হাউমাউ করে কেঁদে ভাসান এবং গাড়ি থেকে নামানোর সময় তিনি পড়েও যান। তাতে তাঁর পায়ে হালকা আঘাত লাগে।

জুলাই ২৯, ২০২২
রাজ্য

'ঘনিষ্ঠ বন্ধু' অর্পিতা'র ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হলেও পার্থ'র কাছে না আছে 'বাড়ি , না গাড়ি...! সম্বল সামান্য কিছু টাকা......

বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ইডি দাবি করেছে, এই ১৯ ঘণ্টার ম্যারাথন অভিযানে বেলঘড়িয়ায় পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে শুক্রবার, ইডি জানিয়েছিল টালিগঞ্জের করুণাময়ী অভিজাত আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অর্থাৎ দু-দিনে সব মিলিয়ে ৪৯.৮ কোটি টাকা উদ্ধার করল ইডি। এখন প্রশ্ন হল, তাঁর কি আসলেই এত টাকা আছে? যদিও এই টাকা তার অন্তরঙ্গ বন্ধুর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল, সুত্রের খবর, অর্পিতা দাবি করেছেন যে সমস্ত টাকা বা সম্পদ যা এখনও অবধি পাওয়া গেছে তা সবই পার্থর। যদিও ইডি এখনও কিছু এ ব্যাপারে জানায়নি।২০২১ এ বিধানসভা নির্বাচনে পার্থ বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই সময় তিনি নির্বাচন কমিশনে যে নমিনেশনের জমা দিয়েছেলেন তাতে এক হলফনামা জমা দেন, সেই হলফনামাতে তৃণমূলের এই অপসারিত হেভিওয়েট নেতা সম্পত্তির যা বিবরন দেন তা নিম্নরূপঃ১। সে সময় পার্থর কাছে নগদ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭৬ টাকা ছিল। তার সাথে দুটি ব্যাংকের ৪টি শাখায় তাঁর রয়েছে ২৪ লাখ ৮১ হাজার, ২৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৩৫, ১৫ লাখ ১ হাজার ১৬১ ও ১ লাখ ৮ হাজার ৬৯ টাকা জমা ছিল।২। একটি জীবন বীমা পলিসি তার নামে ছিল, যার সাম অ্যাসিওর ২৫ লাখ টাকা। জীবন বীমা, ব্যাংকে জমাসহ তাঁর মোট সঞ্চয় ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা!৩। পার্থ নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন, তাঁর একটি গাড়িও নেই।৪। পারিবারিক সূত্রে বা নিজের উপার্জন থেকে কেনা কোনও কৃষিজমিও তার নেই।৫। পার্থ জানান, পারিবারিক সূত্রে তার একটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়ি নাকতলায়। নাম বিজয়কেতন। প্রসঙ্গত, গত শনিবার ওই বাড়ি থেকেই পার্থকে গ্রেফতার করে ইডি।৬। হলফনামায় পার্থ জানিয়েছেন, বাবার কাছ থেকে পাওয়া দেড় কাঠা জমিতে বানানো বাড়িটি পেয়েছেন তিনি। বাড়িটি নির্মান করা হয়েছিলো ১৯৮৯-এ। তৎকালীন মুল্যে সেই বাড়িটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ৬ লাখ টাকা। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী বাড়িটির আনুমানিক মুল্য ২৫ লাখ টাকা।৭। পার্থ হলফনামায় দাবি করেছেন যে তাঁর কাছে কোনও সোনা-হীরে-প্ল্যাটিনামের গয়না নেই!৮। এ ছাড়া পার্থের জমা দেওয়া হলফনামায় বলা হয়েছে, তার নামে কোথাও কোনো ঋণ নেই।৯। এছাড়াও, তিনি আরও জানান যে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে মোট আয় ছিল ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৭২০ টাকা।১০। পার্থের হলফনামা অনুযায়ী, পার্থের মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা।এসএসসিতে স্কুল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থর নাম জড়ানোর পর, সম্প্রতি তাকে ইডি গ্রেপ্তার করেছে। যদিও তার বাড়ি থেকে বিশেষ কিছু উদ্ধার হয়নি, ইডি দাবি করেছে যে পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে তারা প্রায় ৪৯.৪ কোটি টাকা ও প্রচুর পরিমাণে সোনার গহনা উদ্ধার করেছে।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণের পর তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড পার্থ চট্টোপাধ্যায়

সাসপেন্ড করা হল তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। তিন দফতরের মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের পর পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দিল দল। এদিন তৃণমূল ভবনে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্যদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পার্থকে সাসপেন্ডে করার কথা ঘোষণা করেছেন। তৃণমূলের মহাসচিব, সর্বভারতীয় তৃণমূলের সহসভাপতি, কার্যকরি সমিতির সদস্য, শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্য ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ২২ জুলাই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হানা দিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ২৩ তারিখ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি।এর আগে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছিল দোষী প্রমাণ হলে দল ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু তড়িঘড়ি এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রিত্ব ও দলের পদ থেকে সরিয়েও ক্ষান্ত থাকেনি দল, তাঁকে সাসপেন্ড করে দিল দল। অভিষেক বলেন, আশপাশের তথ্য় উঠে এসেছে। তাতে আমরা মানুষের কাছে বদ্ধপরিকর। নেতার কাছে নয়। বেনিফিট অফ ডাউট দিচ্ছি যাঁদের বিরুদ্ধে অবিচার হচ্ছে তাঁদের। আমরা যাঁরা বসে আছি তাঁদের বিরুদ্ধেও যদি দুর্নীতির অভিযোগ আসে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিষেক জানিয়ে দেন, পরবর্তীতে কার্যকরি সমিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করবেন কে দলের মহাসচিব হবেন।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেওয়া হল মন্ত্রিত্ব থেকে, আপাতত দায়িত্বে মুখ্যমন্ত্রী

শেষমেশ মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। শিল্প, তথ্য প্রযুক্তি ও পরিষদীয় দফতরের দায়িত্বে ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ৬ দিন আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়।পার্থ চট্টোপাধ্যায় ১০ মে ২০১১ তে মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। টানা ১১ বছর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নানা গুরুত্বপূর্ণ দফতর সামলেছেন। পার্থ ২০০১-এ বেহালা পশ্চিম থেকে বিধানসভা ভোটে জিতে বিধায়ক হন। তিনি ২০১১-তে বিধানসভার দলনেতা মনোনীত হন। ২০১৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভের পর পার্থ চট্টোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চ শিক্ষা ও স্কুল শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী হন। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে আনেক আগেই কলকাতা হাইকোর্ট পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিল। সেই সময় আদালতের কথার গুরুত্ব দেয়নি রাজ্য সরকার। এরপর সিবিআই তাঁকে নিজাম প্যালেসে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। গত সপ্তাহে ইডি তাঁর বাড়িসহ একাধিক জায়গায় হানা দেয়। পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে প্রায় ২২ কোটি টাকাসহ মূল্যবান গযনা, দলিল, নথি উদ্ধার করে ইডি। টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর পার্থকে গ্রেফতার করে ইডি। বুধবার অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায় ইডি আধিকারিকরা। প্রায় ৩০ কোটি টাকা নগদ সহ, ৬ কেজি সোনা, শয়ে শয়ে রুপোর কয়েন উদ্ধার করা হয়। ইডি সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকালে অর্পিতা স্বীকার করে নেয় তাঁর বাড়িতে উদ্ধার হওয়া টাকা সবই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। এরপর তড়ঘড়ি তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক মুখপাত্র পার্থকে বরখাস্ত ও মন্ত্রিত্ব থেকে সরানোর দাবি তোলে। এরপর মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরানো হয় পার্থকে। এবার দলীয় পদ থেকে অপসারণের পালা।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা, ৬ কেজি সোনা, রুপোর কয়েন

আম বাঙালি বিস্ময়ে হতবাক। ব্যাংককর্মীরাও অনেকে একলপ্তে এমন টাকার পাহাড় দেখেননি। এবার বেলঘরিয়ায় পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে। পাশাপাশি ৬ কেজি সোনা উদ্ধার করেছে ইডি। একইসঙ্গে পাওয়া গিয়েছে দলিল, নথি মিলেছে। এর আগে অর্পিতার ডায়মন্ডসিটির ফ্ল্য়াটে ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে। পাশাপাশি সেখানেও মিলেছে লক্ষ লক্ষ টাকার সোনার গহনা, বিভিন্ন দলিলি-নথি। এবার কোথায় হানা দিলে ফের মিলতে পারে কোটি কোটি টাকা সেই নিয়েই জল্পনা চলছে। মোদ্দা কথা অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট মিলিয়ে প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করা হল।সূত্রের খবর, এই টাকা কোথা থেকে এসেছে, এব্যাপারে ইডিকে অর্পিতা বলেছেন তিনি কিছুই জানেন না। এমনকী জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি কান্না-কাটিও করছেন। তদন্তকারীদের তিনি নাকি মায়ের শরীর খারাপের কথাও বলেছেন। এবার অর্পিতার কোন কোন বাড়িতে ইডি হানা দেবে সেই নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানা গিয়েছে।বুধবার সকাল থেকে চার জায়গায় হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বেলঘরিয়া রথতলায় কামারহাটি পুরসভার পাশে ক্লাব হাউসে অর্পিতার ফ্ল্যাটে তালা ভেঙে ঢোকে ইডি। তারপর চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় ইডির কর্তাদের। বান্ডিল বান্ডিল সাজানো গোছানো টাকা মেলে অর্পিতার এই ফ্ল্যাটে। চারটি জাম্বু ও পাঁচটি ছোট টাকা গোনার মেশিন নিয়ে আসা হয়। আসেন এসবিআইয়ের আধিকারিকরা। ভোর পর্যন্ত টাকা গোনা পর ইডি কর্তারা জানিয়ে দেন ২৭.৯০ কোটি টাকা মিলেছে এখান থেকে। সঙ্গে পাওয়া যায় ৬ কেজি সোনা, শয়ে শয়ে রুপোর কয়েন ও অন্যান্য নথি। ১০ টা ট্যাংকে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

সারদার 'লাল ডায়েরী'র পর এবার রহস্যময় 'কালো ডায়েরী', কার কার নাম আছে ওই ডায়েরীতে?

সরদা মামলায় লাল ডায়েরী পর এবার কালো ডায়েরী নিয়ে তোলপাড় রাজ্য। সারদা মামলায় লাল ডায়েরী উদ্ধার হওয়ার পর অনেকেই প্রবল উৎসুক ছিলেন কি কি বা কার কার নাম আছে এই লাল ডায়েরীতে। ইডি সুত্রে জানানো হয়েছে, পার্থ ঘনিষ্ট অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে একটি কালো ডায়েরী ও একটি পকেট ডায়েরী উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতবর্ষের অর্থনৈতিক অপরাধের ইতিহাস ঘাঁটতে গেলে বেশ কয়েকটি ডায়েরি রহস্য সামনে আসবেই। যেমন, নব্বইয়ের দশকের হাওয়ালা কেলেঙ্কারিতে সুরেন্দ্র জৈনের রহস্যময় ডায়েরী বা ২০১৭-১৮ তে সাহারার সর্বময় কর্তা সুব্রত রায়ের ডায়েরী, ২০১১-১২তে আলোড়ন সৃষ্টিকারি সারদা কর্তার লাল ডায়েরী এবার রহস্যের কেন্দ্রে এক কালো ডায়েরী যা ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের টালিগঞ্জের অভিজাত আবাসবনের ফ্ল্যাটে তল্লাশি করে পাওয়া গেছে। এছাড়াও সেখানের তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মুদ্রা, বিদেশী মুদ্রা এবং গয়না উদ্ধার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর তদন্তকারী দল।ইডি-র একটি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, রাজ্যের শিক্ষা দফতরের নাম লেখা ওই কালো ডায়েরিতে অর্থিক লেনদেন সহ বেশ কিছু হিসাব এবং বিশেষ কয়েকজনের নামের উল্লেখ রয়েছে ওই রহস্যময় ডায়েরীতে। কয়েকদিন আগে ইডি জানিয়েছিল, তাঁদের প্রাথমিক তদন্তের শেষে মনে হচ্ছে, পার্থ ঘনিষ্ট অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া রাশি রাশি টাকা, গহনা ও সম্পত্তির দলিলের সাথে এসএসসি-র নিয়োগে সংক্রান্ত দুর্নীতির অদৃশ্য কোনও যোগসূত্র রয়েছে। তদন্তকারী অফিসারেরা এখন ওই ডায়েরির সূত্র ধরেই সেই যোগ সূত্র খোঁজার চেষ্টা করছেন।বিশেষ সুত্রে জানা যাচ্ছে, রাজ্য শিক্ষা দফতরের ও স্কুল শিক্ষা দপ্তরের নাম লেখা ওই কালো ডায়েরিতে অর্থিক লেনদেনের কিছু হিসাব এবং বিশেষ কিছু ব্যক্তির নামের লেখা আছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) আগেই জানিয়েছিল, অর্পিতার মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া পাহাড় প্রমান টাকার সঙ্গে এসএসসি-র শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির বিশেষ যোগসূত্র রয়েছে বলে তাঁদের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে। এখন রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে কালো ডায়েরী। এমনটা মনে করাই যায়, সামনের কয়েকটা দিন মানুষ অধীর আগ্রহে তাকিয়ে থাকবে ওই কালো ডায়েরীর কথা জানতে। কে বা কাদের কাদের নাম ওই রহস্যময় ডায়েরীতে লেখা আছে। মনে করা হচ্ছে ইডির তদন্তকারী দল ওই ডায়েরির সূত্র ধরেই রহস্যের কেন্দ্রবিন্দুতে পৌছানোর চেষ্টা করবেন।

জুলাই ২৬, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে কলকাতায় ফিরল ইডি, আজ শুরু জেরা

ভূবনেশ্বর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে কলকাতায় ফিরল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জানা গিয়েছে, এদিন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে প্রথম পর্যায়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে জেরা করা হবে। পরবর্তীতে দুজনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এদিকে আদালত পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে ১০ দিনের ইডি হেফাজত দিয়েছে।

জুলাই ২৬, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করছে তৃণমূল, দাবি শুভেন্দুর

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করার পর থেকে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে তর্জা চলছেই। এদিন আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই রেরে করে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, তিনি (মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।) ৭২ ঘন্টা ধরে মুখ বন্ধ রেখেছিলেন। সোশাল মিডিয়ায় সক্রিয় ছিলেন। আজ যেভাবে তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেছেন। লক্ষ লক্ষ মেধাযুক্ত যুবক-যবুতীদের সর্বনাশ হওয়ার ব্যাপারে এমন কথা বলেছেন। সবসময় নিজেদের লোককে চাকরি দিতে হয়।এসএসসি, টেটকে প্রাইভেট অর্গানাজেশনের সঙ্গে তুলনা করা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছে শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, সরকরি চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে পরীক্ষা, মেধা প্রয়োজন। চাকরির নিয়ম সংক্রান্ত সার্ভিস রুলে আইন স্বীকৃত, তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে পারেন না। দুর্নীতির প্রশ্নে যে পর্দা ফাঁস হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে ফাস্ট ট্রাক করতে হবে। এসব পরস্পরবিরোধী কথার মধ্যে মনে হয়েছে তৃণমূল নেত্রী আতঙ্কিত। তিনি ভয় পেয়েছেন।

জুলাই ২৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

এনআইএ আদালতে বিস্ফোরক দাবি! শাকির আলির বাড়ি থেকে উদ্ধার গুলি, জামিন চাইলেন প্রাক্তন সাংসদের স্বামী

রামনবমী সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী শাকির আলিকে বুধবার আদালতে তোলা হয়। শুনানির সময় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করে, এই ঘটনায় শাকির আলি অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী। যদিও আদালতে দাঁড়িয়ে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি এবং যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন জানান।আদালতে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, রামনবমীর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোট ছয়টি মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া মানুষের উপর হামলা চালানো হয় এবং তদন্তে উঠে এসেছে, এই ঘটনায় শাকির আলি উস্কানির ভূমিকা পালন করেছিলেন। তদন্তকারীদের আরও দাবি, তাঁর বাড়ি থেকে ছত্রিশ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে। সেই কারণেই তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়।তবে শুনানির সময় বিচারক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, দুই হাজার তেইশ সালে শুরু হওয়া মামলায় এতদিন পর কেন গ্রেপ্তার করা হল শাকির আলিকে। একই সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে, এতদিন পরে হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কী।এর জবাবে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, আগে এই গ্রেপ্তার সম্ভব হয়নি। তাদের দাবি, তদন্তে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় পদক্ষেপ করা যায়নি। বর্তমানে তদন্তের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।তদন্তকারী আধিকারিক আদালতে আরও জানান, বিভিন্ন রাস্তা এবং বাড়ির নজরদারি চিত্র খতিয়ে দেখা হয়েছে। অভিযোগ, শাকির আলি যে গাড়ি ব্যবহার করতেন, সেই গাড়ির কোনও ক্ষতি হয়নি, অথচ আশপাশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর সেই গাড়িতেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান বলে তদন্তকারীদের দাবি। আরও অভিযোগ, পরে ওই গাড়ি বিক্রিও করে দেওয়া হয়।অন্যদিকে শাকির আলির আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল এই মামলায় এর আগেও দুবার তদন্তে হাজিরা দিয়েছেন। তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকায় শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করা হয়। শাকির আলিও আদালতে বলেন, যাঁরা শোভাযাত্রা করেছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, অথচ যাঁরা পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়েছিলেন, তাঁদেরই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মামলার অন্য অভিযুক্তরা ইতিমধ্যেই জামিনে মুক্ত।শাকির আলি আদালতে জানান, তাঁর নামে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ছিল। পরে সেই অস্ত্র বিক্রি করে দিলেও গুলি বিক্রি করা যায় না। পাশাপাশি তিনি নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও আদালতের নজরে আনেন। তাঁর দাবি, তিনি গুরুতর অসুস্থ এবং ক্যানসারের আশঙ্কায় চিকিৎসাধীন। সেই কারণেই যে কোনও শর্তে জামিন দেওয়ার আবেদন জানান।এই মামলায় শাকির আলিকে দুই দিনের জন্য তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকলেও জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

চিকেনস নেকে বড়সড় নিরাপত্তা আতঙ্ক! পানের দোকানের আড়ালে কী চলছিল? গ্রেপ্তার যুবক

পূর্ব ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এলাকা চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের কাছাকাছি সিকিমে বড়সড় অভিযানে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে ধৃত ওই যুবকের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কার্যকলাপ, উগ্রপন্থী প্রচার এবং নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের মতাদর্শ ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গ্যাংটকের নাং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া উনিশ বছরের মহম্মদ আরজু একটি পানের দোকানের আড়াল থেকে এই কার্যকলাপ চালাতেন বলে অভিযোগ। তবে এই অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আরজু তাঁর বাবার সঙ্গে গ্যাংটকের লোয়ার এমজি মার্গ এলাকায় একটি পানের দোকান পরিচালনা করতেন। তদন্তকারীদের অভিযোগ, সেই ব্যবসার আড়ালেই তিনি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে উগ্রবাদী প্রচার চালাতেন এবং নতুন সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা করতেন। বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগ বেড়েছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তারা একটি সামাজিক মাধ্যমের গোষ্ঠীর সন্ধান পেয়েছে, যার মাধ্যমে দেশবিরোধী প্রচার এবং উগ্রপন্থী মতাদর্শ ছড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ। সেই সূত্র ধরেই মহম্মদ আরজুর নাম সামনে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁকে আটক করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃত যুবকের আচরণে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁর মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, সেই পরীক্ষায় বিভিন্ন কথোপকথন, সন্দেহজনক তথ্য আদান-প্রদান এবং ভারত ও পাকিস্তানে অবস্থানকারী কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগের প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং কোনও বড় নেটওয়ার্কের সঙ্গে এর যোগসূত্র আছে কি না।সিকিম পুলিশের অপরাধ দমন শাখা এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগ জানিয়েছে, অনলাইনের মাধ্যমে উগ্রবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে।এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন সিকিমের বিধায়ক কলা রাই। তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই ভবিষ্যতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের উপর কড়া নজরদারি চালানো প্রয়োজন।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! আগাম জামিন খারিজের পর গ্রেপ্তার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী

রাজ্য রাজনীতিতে ফের বড় চাঞ্চল্য। বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করল রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। পুরুলিয়ার সদর থানা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এর আগে কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন দেবরাজ। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপরই তদন্তকারীরা তাঁকে গ্রেপ্তার করেন।দেবরাজ চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর চব্বিশ পরগনার রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। যুব তৃণমূলের কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু হলেও পরে দলীয় টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসে যোগ দেন। বিধাননগর পুরনিগমের সাত নম্বর ওয়ার্ড থেকে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে জয়ও পান। পরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন। তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিও পরবর্তীতে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রের বিধায়ক হন।বিধানসভা নির্বাচনের আগে দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ ছিল, নির্বাচনের আগে বিপুল মূল্যের সম্পত্তি আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনী হলফনামায় সম্পত্তির প্রকৃত তথ্য গোপন করার অভিযোগও ওঠে। এছাড়াও তোলাবাজি, সিন্ডিকেট পরিচালনা এবং জমি দখল সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও তদন্ত শুরু হয়।গ্রেপ্তার এড়াতে দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালত চার মাসের শিশুসন্তানের কথা বিবেচনা করে অদিতি মুন্সিকে আগাম জামিন দিলেও তাঁর বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পাশাপাশি পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বাগুইআটি থানা এলাকায় প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।অন্যদিকে দেবরাজ চক্রবর্তীর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে আদালত। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশও দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী অভিযান চালিয়ে পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, মামলার তদন্তে এই গ্রেপ্তার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দেবে।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ধাক্কা অনুব্রত মণ্ডলকে! আগাম জামিন খারিজ, এবার কি গ্রেপ্তার?

অনুব্রত মণ্ডলের আইনি লড়াইয়ে বড় ধাক্কা। ভোট-পরবর্তী হিংসার একটি মামলায় তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল সিউড়ির জেলা আদালত। মঙ্গলবার মামলার শুনানির পর বিচারক আবেদন নাকচ করে দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।আইনজীবীদের একাংশের মতে, আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় এই মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের সামনে আপাতত আর কোনও আইনি বাধা নেই। ফলে তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেই দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনের।তবে এখানেই আইনি লড়াই শেষ হচ্ছে না। সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবীরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। তার আগেই পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আদালতের রায় প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর। অভিযোগ, বোলপুরের কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের পাথরঘাটা গ্রামের একটি ইটভাটা থেকে প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকার ইট লুঠ করা হয়। অভিযোগ, একশোটি ট্রাক্টরে করে সেই ইট নিয়ে যাওয়া হয়।ইটভাটার মালিক শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডল অভিযোগ করেন, কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপপ্রধান মামন শেখ ও তাঁর অনুগামীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তদন্তে অনুব্রত মণ্ডলের নামও উঠে আসে। অভিযোগে তাঁকে এই ঘটনার অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। যদিও সেই সময় পুলিশের তরফে কোনও বড় পদক্ষেপ করা হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের পর পুরনো একাধিক মামলার তদন্তে গতি এসেছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় মামলাটি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। এখন সকলের নজর পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং উচ্চ আদালতে অনুব্রত মণ্ডলের আইনি লড়াইয়ের দিকে।

জুলাই ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সিএবি-তে বড় বিতর্ক! প্রণব রায়ের বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, পাল্টা ‘ষড়যন্ত্র’ তত্ত্ব পঙ্কজ-পুত্রের

ভুয়ো ক্লাবের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে অ্যাপেক্স কাউন্সিলে আবেদন; সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি প্রাক্তন ক্রিকেটারের।বাংলা ক্রিকেটে ফের নতুন বিতর্ক। এবার অভিযোগের কেন্দ্রে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা কিংবদন্তি পঙ্কজ রায়ের পুত্র প্রণব রায়। তাঁর বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি)-এর অ্যাপেক্স কাউন্সিলে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন শ্যামল দাস নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, একটি অস্তিত্বহীন বা ভুয়ো ক্লাবের নামে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আর্থিক অনিয়ম হয়েছে, যার অন্যতম সহায়ক ছিলেন প্রণব রায়।তবে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগই সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর কথায়, পরিকল্পিতভাবে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই এই ধরনের প্রচার চালানো হচ্ছে।কী অভিযোগ উঠেছে?সিএবি সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৩ পাতার অভিযোগপত্রে গত বছরের সিএবি ওম্বুডসম্যানের একটি নির্দেশিকার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে মোহনলাল ক্লাব-র একটি কলকাতার বাগবাজারের ঠিকানার পাশাপাশি গৌরীবাড়ি এলাকার একই নামে একটি অস্তিত্বহীন সংস্থার কথাও উল্লেখ রয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ওই ক্লাবের নামে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, ওই আর্থিক লেনদেনের একাধিক চেকে প্রণব রায়ের স্বাক্ষর রয়েছে এবং অভিযোগপত্রে সেই চেক নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে।শুধু তাই নয়, অভিযোগকারীর দাবিপ্রণব রায়কে অবিলম্বে সিএবি-র সমস্ত কমিটি থেকে অপসারণ করতে হবে।তাঁর বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক অডিটের নির্দেশ দিতে হবে।আত্মসাৎ হওয়া ৪০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করতে হবে।গোটা ঘটনায় প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হোক।অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন প্রণব রায়অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন,আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। আমার ব্যক্তিগত সম্মান ও পরিবারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।তিনি আরও দাবি করেন, তিনি মোহনলাল ক্লাবের কেবলমাত্র একজন সাধারণ সদস্য ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সময়কালে ক্লাবের কোনও প্রশাসনিক পদে তিনি ছিলেন না। ফলে আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।প্রণব রায়ের বক্তব্য, অভিযোগের বেশ কিছু বিষয় ইতিমধ্যেই আদালতে বিচারাধীন। সেই কারণে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি। তবে যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তিনি সংরক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছেও বিষয়টি জানাবেন।নজরে সিএবিক্রীড়া মহলের ধারণা, নতুন এই অভিযোগ সামনে আসার পর ফের চাপে পড়তে পারে সিএবি প্রশাসন। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে অ্যাপেক্স কাউন্সিল কী পদক্ষেপ করে, আদৌ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় কি না, কিংবা অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী অডিট বা এফআইআর-এর পথে হাঁটে কি না এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেট মহলের।অন্যদিকে, প্রণব রায়ের স্পষ্ট দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং প্রয়োজনে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন। ফলে এই বিতর্ক আগামী দিনে আরও জটিল মোড় নিতে পারে বলেই মনে করছে ক্রিকেটমহল।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

মোদির সঙ্গে দিলীপ ঘোষের ‘বিশেষ বৈঠক’! আম-সন্দেশ উপহার, ১১ হাজার শূন্যপদ থেকে পঞ্চায়েত উন্নয়ন—কী কী আলোচনা হল?

নিজস্ব প্রতিবেদন: দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। মন্ত্রী হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার। সৌজন্যের নিদর্শন হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় বাংলার আম ও সন্দেশ। তবে এই সাক্ষাৎ কেবল সৌজন্য বিনিময়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং শূন্যপদ পূরণের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে বৈঠকে।সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের কাজকে আরও গতিশীল করতে দিলীপ ঘোষকে একাধিক দিকনির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে দিলীপ জানান, বর্তমানে তাঁর দপ্তরে প্রায় ১১ হাজার পদ শূন্য। এই বিপুল শূন্যপদের কারণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়নে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। শূন্যপদ দ্রুত পূরণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির উপায় নিয়েও দুজনের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের গুজরাটে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে দিলীপ ঘোষকে একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠনের পরামর্শ দেন। দেশের যেসব রাজ্যে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর সফলভাবে কাজ করছে, সেই রাজ্যগুলিতে গিয়ে কাজ পর্যবেক্ষণ, আধুনিক প্রশাসনিক পদ্ধতি শেখা এবং প্রশিক্ষণ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। শুধু তাই নয়, দিলীপ ঘোষকেও ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তব চিত্র দেখে আসার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই উদ্যোগ কার্যকর হলে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত প্রশাসনে নতুন কর্মপদ্ধতি ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সংযোজন ঘটতে পারে।নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক, ৫১ হাজার কোটি টাকার প্রসঙ্গদিল্লি সফরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও বৈঠক করেন দিলীপ ঘোষ। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই এই খাতে পশ্চিমবঙ্গকে প্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের নিরিখে উত্তরপ্রদেশের পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দেন, উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে অর্থের অভাব যাতে কোনও বাধা না হয়, সেদিকে কেন্দ্র নজর রাখবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।রেলমন্ত্রীর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎদিল্লি সফরের শেষপর্বে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দিলীপ ঘোষ। যদিও ওই বৈঠকের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবুও রাজ্যের পরিকাঠামো ও উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের ইঙ্গিত।রাজনৈতিক মহলে জল্পনাএকদিনেই প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং রেলমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই এই বৈঠকগুলি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দিলীপ ঘোষের এই দিল্লি সফর আগামী দিনে রাজ্যের প্রশাসনিক কর্মকৌশল ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

জুলাই ০১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার জন্য নতুন ধাক্কা? দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ডাকে ঋতব্রত, জোর জল্পনা রাজনীতিতে

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের বড় মোড়। তৃণমূলের ভাঙনের আবহে এবার দিল্লি থেকে তলব করা হল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক আলাদা ব্লক গঠন করেন। সেই ব্লকের নেতৃত্বে রয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করে। নতুন ব্লকের দাবি, তারাই প্রকৃত তৃণমূল এবং দলীয় প্রতীকের অধিকারও তাদের প্রাপ্য।এই দাবিকে সামনে রেখেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে নতুন ব্লক। প্রতীক সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি জটিলতা এড়াতে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি এখন নির্বাচন কমিশনের বিবেচনাধীন।এরপর নতুন ব্লকের কর্মসমিতির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, সন্দীপন সাহা এবং জাভেদ খানের মতো নেতাদেরও রাখা হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছেও পাঠানো হয়।এরপরই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটায় কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ঋতব্রত জানিয়েছেন, তিনি আরও নয়জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনে উপস্থিত হবেন। এই বৈঠকের পর প্রতীক এবং দলীয় স্বীকৃতি সংক্রান্ত মামলায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় দুর্নীতির দাবি, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার উদ্যোগ হিসেবে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয়। কিন্তু এবার সেই কর্মসূচি ঘিরেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। কালীঘাট তৃণমূলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে সেবাশ্রয় শিবিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। পাশাপাশি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকও সংবাদমাধ্যমে একাধিক অভিযোগ করেছেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে প্রথম ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় পঁচাত্তর দিনের সেবাশ্রয় কর্মসূচি শুরু হয়। সেখানে আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের আরও বিভিন্ন এলাকায় এই স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।তবে কিছুদিন আগেই ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সরিষা এলাকার হিঞ্চাবেড়িয়ায় মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়। ওই ওষুধের গায়ে সেবাশ্রয়ের চিহ্ন ছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল ওষুধ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে। এবার সেই বিতর্কের মধ্যেই সামনে এল আরও নতুন অভিযোগ।ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে আধুনিক চিকিৎসার ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিলেন এমন চিকিৎসকেরা, যাঁদের মধ্যে জুনিয়র ডাক্তার, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এবং আয়ুষ চিকিৎসকরাও ছিলেন। তাঁর আরও অভিযোগ, মাটির নিচে উদ্ধার হওয়া ওষুধের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ওষুধের মান ঠিক থাকত, তাহলে সেগুলি মাটির নিচে পুঁতে রাখা হত না।অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, শিবিরে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও পরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হত। তাঁর অভিযোগ, সেই পরীক্ষার সূত্র ধরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হত এবং পরে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসার খরচ দেখানো হতো। এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে কোনও তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্টও প্রকাশ্যে আসেনি।এই অভিযোগ সামনে আসার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয় কি না এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal